সুনামগঞ্জ, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০

জামালগঞ্জ উজ্জলপুর ঝুকিপূর্ণ বাঁধের কাজ শেষ পর্যায়ে বরাদ্দ কম

জামালগঞ্জ উজ্জলপুর ঝুকিপূর্ণ বাঁধের কাজ শেষ পর্যায়ে বরাদ্দ কম

মোঃ আব্দুল শহীদ
জামালগঞ্জ উপজেলার কষৃকদের একমাত্র ভরসা বোরো ফসল। বর্তমান সরকার যখন খাদ্য সংকট মোকাবেলা করতে সুনামগঞ্জের অন্যতম শস্য ভান্ডার বোরো ফসল রক্ষার্থে করুটিপূর্ণ বাধঁ নির্মাণ ও ক্লোজার (ভাঙ্গা) মেরামতের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার নিয়মনীতি বেধেঁ দিলেও জামালগঞ্জের অনেক বড় বড় হাওরে এখনও কাজ শুরুই হয়নি। এদিকে জামালগঞ্জের উজ্জলপুর ৪০নং-প্রকল্পের ঝুকিপূর্ণ বাধের কাজ প্রায় ২/৩ দিনের ভিতরে সমপন্ন হবে। এই বাধটি সঠিক সময়ে নির্মাণ করতে না পারলে পাকনার হাওরের প্রায় কয়েকশত হেক্টর বোরো ফসল হুমকির মুখে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিগত বছরগুলিতে বিপদগ্রস্থ যে বাঁধগুলোর অংশ দিয়ে হাওরে পানি ঢুকে সোনালী ফসল তলিয়ে গিয়েছিল এবারো উজ্জলপুরের সেই অংশগুলোই বিপদগ্রস্থ বলে মত প্রকাশ করছেন অনেক কষৃক। বোরো মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ী ঢল হলে নদীর পানি বিপদ সীমার কাছাকাছি। যা পানির প্রথম ধাক্কায় বাঁধ হুমকির সম্মুখিন। পাউবোর নিয়ম অনুযায়ী অধিকাংশ পিআইসি বাধের কাছ থেকে মাটি এনে বাধ নির্মাণ করছে। কিন্তু দেখা যায়, একমাত্র উজ্জলপুর প্রকল্পের পিআইসি আব্দুল ওয়াকিব মেম্বার বাঁধ থেকে প্রায় দেড়শত ঘনফুট দুর থেকে মাটি এনে বাঁধ নির্মাণ করছেন। সাথে সাথে লেবার দ্বারা ড্রেসিং ও দুরমুছ দিচ্ছেন। হাওরের বিভিন্ন ডুবায় পানি থাকার কারণে এবং এস্কেভেটার মেশিন পেতে বিলম্ব হওয়ায় ৩৯নং পিআইসি আবুল লেইছ এর বাঁধ নিমাণ কাজ ৪/৫ দিনের মধ্যে সমপন্ন হবে। জামালগঞ্জ উপজেলা অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকার চলতি বছর নির্ধারিত সময়ে বাধ নির্মানের জন্য টাকা বরাদ্দ দিলেও কাজের প্রাক্কালন করতে বিলম্ব হওয়ায় কাজ শুরুর কথা ২৩ ডিসেম্বর হলেও শুরু হয় জানুয়ারীর প্রথম দিকে তা আবার ২৮ ফেব্রয়ারীর মধ্যে কাজ শেষ করার নিয়ম বেধে দেওয়া হয়। এদিকে সরকার নির্ধারিত সময়ের আগেই উজ্জলপুর বাঁধের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এব্যাপারে পিআইসি আব্দুল ওয়াকিব বলেন, সরকার বাহাদুর আমাদের হাওর রক্ষা করার জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। ইনশাআল্লাহ নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই আমার বাঁধের কাজ সমপন্ন হয়েছে। এ ব্যাপারে পিআইসি আবুল লেইছ বলেন, আমার বাঁধের নির্মাণ কাজ আগামী সপ্তাহের আগেই সমপন্ন হবে। এ ব্যাপারে জামালগঞ্জ উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও রেজাউল করিম জানান, নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হবে। এ ব্যাপারে জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রিয়াঙ্কা পাল জানান, কাজের সময়সীমা অনুযায়ী বাঁধের কাজের প্রথম দিকে কাজ পেয়ে পিআইসিদেরকে দ্রুত শেষ করার জন্য বার বার তদারকি করেছি, আশা করি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বেরিবাধের কাজ শেষ হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন:
© দৈনিক আজকের সুনামগঞ্জ
বাস্তবায়নে : Avo Creatives