সুনামগঞ্জ, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০

ভোটারদের জন্যই ইভিএমে এত পরিশ্রম: সিইসি

ভোটারদের জন্যই ইভিএমে এত পরিশ্রম: সিইসি

আজকের সুনামগঞ্জ ডেস্কঃ
বিএনপির প্রবল বিরোধিতার মধ্যে ঢাকা সিটি নির্বাচনে সম্পূর্ণ ভোট ইভিএমে গ্রহণের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, ভোটারদের জন্যই নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের আগে মঙ্গলবার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রদর্শন হয়, যাতে ভোটাররা যন্ত্রে ভোট দেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারেন। বিকালে বেইলি রোডে সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজে ‘ইভিএমে ভোটদান প্রদর্শনী’ ঘুরে দেখে সন্তুষ্টি জানান সিইসি। বিরোধিতার মধ্যেও ইভিএম নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে নূরুল হুদা সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা এত পরিশ্রম করি, এত মেধা খাটাই কীসের জন্য? ভোটারের ভোট দিতে পারা নিশ্চিত করার জন্য। “ইভিএমের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। ইভিএমের মাধ্যমেই ভোটার নিজের ভোট দিতে পারবে। এ জন্যই ইভিএমে ভোট, এর যৌক্তিকতা বেশি।” শুরু থেকে ইভিএমের বিরোধিতা করে আসা বিএনপি ইভিএমে কারচুপির আশঙ্কাও প্রকাশ করে আসছে। কারচুপির সম্ভাবনা নাকচ করে সিইসি বলেন, “আগে জাল ভোটের শঙ্কা ছিল। তখন ব্যালট ছিনতাইয়েরও সুযোগ ছিল, কিন্তু ইভিএমে সেটা থাকছে না।”ইভিএম প্রদর্শনীতে ভোটারদের সাড়া দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “জনগণ যারা জানতে চায় বুঝতে চায়, তাদের জন্য এ প্রদর্শনী। ভোটাররা যাতে বুঝতে পারে। প্রদর্শনী ভালোই তো হচ্ছে।”ভোটারদের অনেকেরই আঙ্গুলের ছাপ ইভিএম সিসটেমে যাচাই করতে সমস্যা হওয়ার বিষয়টি নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সিইসি বলেন, “এর দুইটা কারণ হতে পারে; একটা হচ্ছে তিনি এই কেন্দ্রের ভোটার না অথবা পাশের বুথের ভোটার। ইভিএমে ভোট দিতে সময় বেশি লাগছে বলে কোনো কোনো ভোটারের প্রতিক্রিয়াও তুলে ধরেন সাংবাদিকরা। এ নিয়ে নূরুল হুদা বলেন, “সবার হবে না এটা; কারও হাতের রেখা বিলীন হয়ে গেছে বা ডিসপ্লেসড হয়ে গেছে, এরকম হতে পারে দুই-একজনের।”ভোটদান প্রক্রিয়া নগরবাসীর সামনে তুলে ধরতে ৩০ জানুয়ারি দুই সিটির সব কেন্দ্রে মক ভোটিং বা অনুশীলন ভোটের আয়োজনও করেছে ইসি। নির্বাচনী প্রচারণায় একাধিক মারামারির ঘটনার বিষয়ে সিইসি বলেন, “মারামারি হওয়া খারাপ। মারামারি দুই দলেরই; যদি ক্রিমিনাল অফেন্স হয় তাহলে থানায় কেস করবে; তারা ব্যবস্থা নিবে। ক্রিমিনাল অফেন্স হলে আমরা কিছু করতে পারি না।” এবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩০ লাখ ৯ হাজার এবং দক্ষিণ সিটিতে ২৪ লাখ ৫২ হাজার ভোটার রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন
© দৈনিক আজকের সুনামগঞ্জ
বাস্তবায়নে : Avo Creatives