Logo
মঙ্গলবার ১৫ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং ৩০শে আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ১৬ই সফর, ১৪৪১ হিজরী

মধ্যনগর আওয়ামীলীগ নেতা পরিতোষ ও গিয়াস উদ্দিন নূরীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদক ও দল বিরোধী অনৈতিক কাজের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
মধ্যনগর থানা আওয়ামীলীগের নামধারী নেতা পরিতোষ সরকার ও গিয়াস উদ্দিন নূরীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মাদক সহ অনৈতিক দল বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগকারী আওয়ামীলীগ নেতা আঃ শহিদ আজাদ ও প্রবীর বিজয় তালুকদারের যৌথ স্বাক্ষরে জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মতিউর রহমান, এম পি ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সিনিয়র সহ সভাপতি নূরুল হুদা মুকুট, সাধারন সম্পাদক ব্যারিষ্টার এনামুল কবির ইমনের বরাবরে ২৫/৯/২০১৯/ ইং তারিখে লিখিত অভিযোগ প্রদান করা হয়। অভিযোগে জানা যায় অভিযুক্ত ব্যাক্তিরা সর্বদায় মাদক সেবন ও ব্যাবসা করে আসছে। মাদক সেবনকরে মাতাল অবস্থায় বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত থাকে। পরিতোষ সরকার প্রতিদিনই সাধারন মানুষের সাথে মারামরি ও মাদক সেবন করে মাথলামী করেন। এবং তার বিরোদ্ধে মধ্যনগর থানায় চাঁদাবাজি ও মারামারির মামলা দায়ের করেন অনেক ভূক্তভোগীরা। মামলাগুলো হচ্ছে জি, আর নং ৪৪/১০ ইং (মধ্যনগর) ৩২৬ মামলা নং সি,আর ২৪/১৭ ইং (মধ্যনগর) জি,আর ৩৭/১৭ ইং(মধ্যনগর) তার অপকর্মের সাথে গিয়াস উদ্দান নূরী অতপোর্ত ভাবে জরিত। আরও জানা যায় জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে ছিল। সে এখন আওয়ামীলীগ নেতা,সে মাদকের মামলায় আসামী যার নং সি আর ২৬/১৭ ইং (মধ্যনগর) এ সকল অনৈতিক অপকর্মে বিচার চেয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন আঃ শহিদ আজাদ ও মধ্যনগর সদর ইউপি চেয়ারম্যান প্রবীর বিজয় তালুকদার । অনন্তপুর গ্রামে আরজু মিয়া (০১৭৫২৫২৩৮০৭) মোবাইল ফোনে জানান গলহা গ্রামের বাসিন্দা পরিতোষ সরকার একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারী। সে প্রতিদিন তার বাড়িতে মাদকের আসর বসায়। এবং সেই আসরেই মাদক কেনাবেচা হয়। প্রতিদিনই তাদের গাজার আসরের কারণে অতিষ্ট এলাকাবাসী। গলহা এলাকার শাহিন আলম (০১৭৫১০২৬৭৭৮) ও শাহিনুর (০১৭০৬৬৮২৪৮১) নামের ব্যক্তিরা জানান তার ঘনিষ্ট সহযোগি হিসাবে এলাকায় পরিচিত মধ্যনগর সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জামাল মিয়া গত কয়েকমাস আগে ইয়াবাসহ মধ্যনগর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতে পাঠালে কয়েকদিন হাজত বাস করে আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে এসে আবার পরিতোষ সরকার ও তার সহযোগি জামাল প্রশাসনের নাকের ডগার উপর দিয়ে এই মাদক ব্যবসা করে যাচ্ছে। প্রশাসন এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। পুলিশ প্রশাসন এত সব জানার পরও নিরব কেনো এলাকাবাসী জানতে চায়। অনেকেই অভিযোগ করেন মধ্যনগরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসাবে সেলিম নেওয়াজ দীর্ঘদিন কর্মরত থাকায় অপরাধীদের সাথে তার সক্ষতা গড়ে উঠায় নাকি পুলিশ প্রশাসন এবং এসব মাদক সেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদেরকে গ্রেফতার করছেন না। প্রতি মাসেই মোটা অংকের মাসোয়ারা পেয়ে থাকেন মধ্যনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম নেওয়াজ। অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই প্রতিবেদককে জানান জেলার সব জায়গায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালিত হলেও মধ্যনগরে মাদকখ্যাত পশ্চিমাঞ্চলে কোন অভিযান পরিচালনা করে না থানা পুলিশ। গলহা গ্রামের সোনা মিয়া (০১৯২৮৮৭৬৬৭০) জানান পরিতোষ একজন চিহ্নিত মাদক সেবী এবং ব্যবসায়ী তার রয়েছে বিশাল বাহিনী । এই বাহিনীর ভয়ে কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে না। বললে তার উপরনেমে আসে ভয়াবহ নির্যাতন। তার ভয়ে এলাকায় কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায়না । আমি সহ এলাকার মানুষ তার অত্যাচারের হাত থেকে বাচতে চাই। তার লোক মৃদুল রায় ভারতীয় মদ বিক্রির সময় নেএকোনা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।এখন সে জেল হাজতে আছে। এদিকে তার সকল কুকর্মের সহযোগী গহলা গ্রামের নুরু হোসেন মেম্বার (০১৭১৬৩১৬৫৫৫) জানান পরিতোষ একজন খারাপ লোক, মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদক সেবী এধরনের লোক দলে থাকলে আওয়ামী লীগের ভাবমূতি ক্ষুন্ন হবে। জননেএী শেখ হাসিনার বদনাম হবে।তাই এদেরকে দলে রাখা উচিত না। এ ব্যাপারে পরিতোষ সরকার বলেন এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে করা হচ্ছে। আমি সিন্ডিকেট রাজনীতির স্বীকার। অপরদিকে গিয়াস উদ্দিন নূরী বলেন উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এমপি সিন্ডিকেট হিসাবে কাজ করে এরা। আমি এধরণের ঘটনার সাথে আদৌ জড়িত না। আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নষ্ট করার জন্য এসব মিথ্যা গল্প সাজানো হচ্ছে। অভিযোগকারী আওয়ামীলীগ নেতা আঃ শহিদ আজাদ এর সাথে যোগযোগ করা হে তিনি জানান আমি আঃ আজাদ ও প্রবীর বিজয় তালুকদারের যৌথ স্বাক্ষরে এদের বিরুদ্ধে দলের হাইকমান্ডের কাছে অভিযোগ করেছি তা সত্য।

নিউজটি শেয়ার করুন